দূর্গাপুরশিরোনাম-২

দুর্গাপুরে গুলি ছুড়ে চরমপন্থী সদস্যদের চাঁদাবাজি, আতংক ছড়ানোর অভিযোগ

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: রাজশাহীর দুর্গাপুরে চাঁদার দাবিতে এক্সেভেটর মেশিন ভাংচুর ও গুলি ছুড়ে আতংক ছড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। চরমপন্থী দলের কয়েকজন সদস্য এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের বাসিন্দারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক স্কুল শিক্ষক সোমবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কয়ামাজমপুর মৌজায় ১৫ বিঘা জমি লীজ নিয়ে গত ১০ দিন ধরে পুকুর খনন করছিলেন স্কুল শিক্ষক গোলাপ হোসেন। পুকুর খনন শুরুর পর থেকেই ওই এলাকার চরমপন্থী দলের কয়েকজন সদস্য গোলাপ হোসেনের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দাবির প্রেক্ষিতে ২০ হাজার টাকা চাঁদাও দেন গোলাপ হোসেন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট হননি চরমপন্থী দলের সদস্যরা। গত ৮ মে দিনগত রাতে পুকুর খনন কাজে ব্যবহুত এক্সেভেটর মেশিন ভাংচুর করে তারা। পরেরদিন রাতে আবারও ৫/৬ রাউন্ড গুলি ছুড়ে আতংক ছড়ান তারা। ওই ঘটনারও পরেরদিন অস্ত্রসহ ওই এলাকায় মহড়া দিয়েছেন চরমপন্থী দলের সদস্যরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, চরমপন্থী দলের যশোর অঞ্চলের নেতা ও একাধিক মামলার আসামী মিন্টু গত কয়েকদিন ধরে কয়ামাজমপুর এলাকায় অবস্থান করছেন। তাকে সহায়তা করছেন কয়ামাজমপুর ও তাহেরপুর এলাকার কয়েকজন চরমপন্থী সদস্য। চরমপন্থী নেতা মিন্টুর নেতৃত্বে এই গ্রুপটি এলাকায় ব্যাপক হারে চাঁদাবাজি শুরু করেছে বলেও জানান গ্রামবাসীরা।
গ্রামবাসীরা আরও জানান, গুলি ছোড়ার আওয়াজ শুনে গ্রামবাসীরা আতংকিত। সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন তারা। চরমপন্থী দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গ্রামবাসীরা।
মিন্টু কয়েক বছর রাজশাহীতে ছিল। এবং সেখানে প্রতারণা, হয়রানি করে মানুষ জনের কাছ থেকে টাকা পয়সা মেরে তাহেরপুরে মেয়র কালামের ছত্রছায়ায় আছে। এবং সে দাবি করে তারা ১২/১৩ জন তাহেরপুরে আছে।

এ ব্যাপারে কথা বলা হলে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খুরশীদা বানু কণা জানান, এ ধরনের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরেন্দ্র বার্তা/সরা/অপস

Close