পাবনাশিরোনাম-২

পাবনায় কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে

 

শফিক আল কামাল , পাবনা : পাবনার আতাইকুলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তার ক্যাডারদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে এক ব্যাক্তিকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৬’ মে) সকালে পীরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। জখমকৃত ব্যাক্তি পীরপুর গ্রামের মধু হাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিরুল আলম প্রত্যক্ষদশী ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার জানান, আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার আতিয়ার হোসেনের সাথে তার পীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা শওকত হোসেন খানের সাথে বিরোধ দীর্ঘ দিনের। কিছুদিন হলো বাড়ির পাশের মালিকানাধীন জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরীকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রæপের মধ্যে ঝামেলার সষ্টি হয়। এর জেরে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার আতিয়ার হোসেন ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ খান আলী এবং তার অনুসারীরা শনিবার সকালে স্বদল বলে গিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় শওকত হোসেন খান এর চাচা রফিকুল ইসলামের ডান হাতে একটি কোপ লাগে। প্রথমে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলামের ছেলে রকিবুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা একজন সাদা মনের মানুষ। কোন ঝুট ঝামেলা পছন্ত করেন না। আথচ আমার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি। থানায় মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।
ঐএলাকার শওকত হোসেন খান বলেন, আতিয়ার চেয়ারম্যানের কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে এলাকার মুরুব্বীরা আমাকে উৎসাহিত করেন। কিন্তু চেয়ারম্যান আতিয়ার স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ খান আলীসহ একটি স্বশস্ত্র দলের সিন্ডিকেট গড়েছেন। এলাকায় ওই সিন্ডিকেট মাদক ব্যবসা করেন। চেয়ারম্যান আতিয়ার ও আলীর বিরুদ্ধে সহজে কেউ মুখ খুলতে চায় না। একটি জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরী করলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। যার ফলশ্রæতিতে আমার উপর ইর্শান্বিত হয়ে চেয়ারম্যান ও তার স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা শনিবার সকালে আমার চাচাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করি।

আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার হোসেন এ বিষয়ে বলেন, ঝামেলার সময় আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছি। এই ঘটনার সাথে আমি জড়িত নয়। তবে আলী ঐ ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন সেটা আমি জানতে পারছি।
বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close