পুঠিয়াশিরোনাম-২

পুঠিয়ায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, বন্ধ দোকানপাট

 

মোঃআমজাদ হোসেন, পুঠিয়া: আজ মঙ্গলবার ১১ টায় রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করনে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় রাজশাহীর এক্সকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চৌধুরী ।

এসময় তিনি বলেন মাননীয় জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসমাগম ঠেকাতে জনস্বার্থে দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। (১৯মে) সিদ্ধান্ত কার্যকর করে অভিযান শুরু হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীর ও জেলা প্রতিটা উপজেলাতেও একইভাবে মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে কৃষিপণ্য, কাঁচাবাজার, ওষুধ, জরুরি সেবা ও খাবারের দোকান এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে বলেও জানান তিনি।

রাজশাহীতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও জমে উঠেছিল ঈদ বাজার। এটি বন্ধ করতে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে রাজশাহী মহানগরী ও জেলার সকল মার্কেটের দোকান পাট বন্ধ । ফুটপাত থেকেও সব ধরনের ব্যবসায়ীদের উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। কড়াকড়ি করা হচ্ছে রিকশা-অটোরিকশা চলাচলে।

গত কয়েকদিন মার্কেট-দোকানপাট খোলার কারণে রাজশাহী মহানগরী ও জেলাতে করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কেননা মার্কেটে সামাজিক দূরত্বের কিছুই মানা হচ্ছিল না। গায়ের সঙ্গে গা লাগিয়ে ঈদের কেনাকটায় মেতেছিলেন অনেক নারী পুরুষ এখন প্রশাসনের তৎপরতায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে আগেই সারাদেশের মার্কেট-দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু গত ১০ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত আসে। সেদিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট খুলেছে। তবে রাজশাহীকে নিরাপদ রাখতে ব্যবসায়ীদের রাজশাহী জেলা ও মহানগরী সকল মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানান। কিন্তু রাজশাহী নগরীর মার্কেটগুলো নানা কৌশলে খোলা হচ্ছিল।

এ অবস্থায় গত সোমবার বিকালে জেলা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় খাবার ও কাঁচাবাজার ছাড়া রাজশাহী জেলা ও মহানগরীর সব দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকেই মাঠে নামেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে নামেন

রাজশাহীতে গত ১২ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২১ জন। এর মধ্যে ছয়জন সুস্থ হয়েছেন। মারা গেছেন একজন। গোদাগাড়ী ও চারঘাট উপজেলা ছাড়া জেলার সবখানেই ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। রাজশাহী মহানগরীতে শনাক্ত হয়েছেন একজন। রাজশাহী মহানগরীর খ্রীষ্টিয়ান মিশন হাসপাতালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার এক করোনা রোগী চিকিৎসাধীন আছে।
বরেন্দ্র বার্থা/অপস

Close