জয়পুরহাটশিরোনাম-২

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে জয়পুরহাটে হেলে পড়েছে ধান গাছ

 

জয়পুরহাট প্রতিনিধি:

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে জয়পুরহাটে উৎপাদিত প্রায় ৬৯ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমির বোরো ধানের মধ্যে ১১হাজার হেক্টর জমির পাকা এবং আধাপাকা ধান হেলে পড়েছে।

এদিকে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে ধান কাটা। এখন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৩২ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক স. ম. মেফতাহুল বারি।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক স. ম. মেফতাহুল বারি জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ধানের সেরকম কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি তবে ধান কেটে ঘরে তোলা আমাদের এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জেলায় চলতি মৌসুমে ৬৯ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। তাঁর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ১০হাজার ৭০০ হেক্টর জমির পাকা এবং আধাপাকা ধান হেলে পড়েছে। এবছর জেলায় ধানের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার মেট্রিকটন।”

স. ম. মেফতাহুল বারি আরো জানান, জেলায় আমের বাগান না থাকায় সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না তাঁর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। তবে বাসা বাড়িতে আল্প পরিসরে আম গাছ রয়েছে। আর সেদিক থেকে খবর নিয়ে জানাগেছে আম গাছের এবং আমেরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে শাকসবজির একটু ক্ষতি হলেও তাঁর পরিমাণ বেশি না। শাকসবজির গাছের ডগা ভেঙে গেছে। কিছু সবজির গাছ নষ্ট হয়েছে।

এদিকে গতকাল সন্ধ্যা থেকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে জেলায় ঝড় ও থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হয়। রাতে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারারাত বন্ধ থাকে বিদ্যুৎ সংযোগ। বিকেলে আবার বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হয়। জেলায় বেশি ক্ষতি না হলেও কিছু কিছু জায়গায় গাছ ভেঙে পরে থাকতে দেখা যায়। আর মাঠে গিয়ে দেখা যায় পাকা ও আধাপাকা ধানের গাছ হেলে পড়েছে। তবে জেলায় এখন পর্যন্ত হতাহতের ঘটনা কোথাও ঘটেনি বলে জানা গেছে।

বরেন্দ্র বার্তা/রিআরি/অপস

Close