নাটোর

পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে দূর্নীতির অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের লালপুর উপজেলার টিটিয়া মহেশ্বর (আর এন্ড এইচ হাজী মোড়) গোপালপুর-রাজাপুর (ভায়া কালুর মোড়) ১১৫০ মি. দৈর্ঘ্যের রাস্তাটি পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প  এর আওতায় ৬৪,২৯,৭২৪ টাকা ব্যয়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন স্থানীয় এম পি এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ। বর্তমানে নির্মানাধীন মহেশ্বর গ্রামের রাস্তাটির মান নিয়ে এলাকাবাসীর নানা অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় এক সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের জন্য রাস্তাটি পরিদর্শনে গেলে ৬নং দুয়াররিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনের তোপের মুখে পরেন সাংবাদিক ও তার সহযোগী। ওই সময় সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোটর সাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয় ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সভাপতি রুহুল আমিন ভয়ভীতি প্রর্দশন করে সাংবাদিকের সহযোগীর মুঠোফোনের সংগৃহিত তথ্য মুছে ফেলেন। রাস্তাটি নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বললে আব্বাস নামের একজন জানান, নিন্মামনের খোয়া আর অধিক ভরাট ব্যবহার না করার জন্য কাজে নিয়োজিত কর্মীদের বললে তাকেও পড়তে হয় রুহুল আমিনের রোষানলে। আব্দুল কাদের শেখ জানান, রাস্তা শুরুর পূর্বেই এই গ্রামের নিরীহ মানুষদের নিকট থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলে একদল সুবিধাবাদী প্রভাবশালী মহল ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে। মহেশ্বর গ্রামের লোকমান হোসেন ও ইদ্রিস আলী বলেন, দ্যাখতেই তো পাচ্ছেন জায়গায়-জায়গায় খুয়া আছে আবার জায়গায় নাই, সরকারি লোকেরাইতো রাস্তা কিইন্নালইছে কিচ্ছু কওনের উপায় নাই। এই ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম লাভলু বলেন, জনগণের রাস্তা নিয়ে কোন প্রকার অনিয়ম, দূর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্য করতে দেয়া হবে না সেই সাথে সঠিক ভাবে রাস্তটির কাজ সম্পন্ন করতে হবে। উক্ত রাস্তটির ব্যাপারে ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি অনিয়ম অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম অনুযায়ীই রাস্তা হচ্ছে তবে সাংবাদিকদের সাথে দুয়াররিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনের বাক-বিতণ্ডার কথা স্বীকার করেন। বরেন্দ্র বার্তা/হাহাশা/এই

Close