অর্থ ও বাণিজ্যশিরোনাম-২স্বাস্থ্য বার্তা

মেডিকেল অক্সিজেনের সংকট কৃত্রিম

বরেন্দ্র বার্তা ডেস্ক: কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশে মেডিকেল অক্সিজেনের চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। হাসপাতালের বাইরে ঘরেও রোগীকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে হচ্ছে। তবে চাহিদা বাড়লেও সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। বাজারে অক্সিজেনের যে সংকট চলছে তা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা। অতি মুনাফালোভী কিছু খুচরা ব্যবসায়ী এ সংকট তৈরি করছে।

বর্তমানে দেশে সরকার অনুমোদিত মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে চারটি—লিন্ডে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস লিমিটেড, স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেড ও ইসলাম অক্সিজেন প্রাইভেট লিমিটেড। মেডিকেল অক্সিজেনের বাজারের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানি লিন্ডে বাংলাদেশ। কোম্পানিটির দৈনিক গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ১২০ টন। চাহিদার ভিত্তিতে মেডিকেল অক্সিজেনসহ বিভিন্ন ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো কিংবা কমানোর সুযোগ রয়েছে তাদের। গত বছর কোম্পানিটি দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭১ কোটি ৭০ লাখ টাকার মেডিকেল গ্যাস বিক্রি করেছে। মেডিকেল গ্যাসের মধ্যে অক্সিজেনের পরিমাণই বেশি।

লিন্ডে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে দেশে মেডিকেল অক্সিজেনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে, যা লিন্ডে বাংলাদেশের নিজস্ব কারখানায় স্থানীয়ভাবেই উৎপাদন করা হচ্ছে। লিন্ডে বাংলাদেশ দেশব্যাপী ১৭টি নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ বিক্রি ও ভাড়া দিয়ে থাকে। এর বাইরে বর্তমানে অনলাইনে যেসব সিলিন্ডার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর সঙ্গে লিন্ডে বাংলাদেশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাছাড়া প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার নেয়ার সুযোগ থাকলে কেউ যাতে এর অপব্যবহার করতে না পারে সেজন্য কোম্পানিটি সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের আওতাধীন বিসিক শিল্পনগরী টাঙ্গাইলের শিল্পপ্রতিষ্ঠান মেসার্স বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস লিমিটেড করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় জরুরি প্রয়োজনে অক্সিজেন সরবরাহ করতে ঔষধ প্রশাসনের নির্দেশে মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি দৈনিক ৭০০ ঘনফুট অক্সিজেন উৎপাদন করছে। বিদ্যমান মজুদকৃত অক্সিজেনের সাহায্যে ৫০০ থেকে ৭০০ সিলিন্ডারে দৈনিক প্রায় তিন হাজার ঘনফুট অক্সিজেন সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি শিল্পকারখানায় ব্যবহারের জন্য নাইট্রাস অক্সাইড ও অ্যাসিটিলিন উৎপাদন করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ১ কোটি ৪০ লাখ ঘনমিটার।

স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেডের কারখানা মানিকগঞ্জে হলেও ডিপো অফিস চট্টগ্রামের কালুরঘাটে। স্পেকট্রা অক্সিজেনের চট্টগ্রাম কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগে প্রতিদিন অক্সিজেন চাহিদা চার-পাঁচ গুণ বেড়েছে। মানিকগঞ্জে প্রতিষ্ঠানটির মূল কারখানা হলেও প্রতিদিন চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য দুটি গাড়িতে ছোট-বড় মিলিয়ে ২৬০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার আসে, যার পুরোটাই বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের জন্য অধিকৃত (১০০ শয্যার) হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১২-১৫ সিলিন্ডার, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে বড় সাইজের (৬ দশমিক ৮ কিউবিক মিটার) ৬০-৭০টি সিলিন্ডার ও ছোট (১ দশমিক ৩৬ কিউবিক মিটার) ৭০টি সিলিন্ডার, বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে (ইউএসটিসি) বড় ৩০টি ও ছোট ৩০ থেকে ৪০টি সিলিন্ডার, ডেল্টা হাসপাতালে ছোট-বড় মিলিয়ে ৬০-৭০টি সিলিন্ডার সরবরাহ দেয়া হয়। এছাড়া প্রতি সপ্তাহে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৬০-৭০টি সিলিন্ডার সরবরাহ দেয় স্পেকট্রা। প্রতিষ্ঠানটি আগে প্রতিদিন গড়ে ৪০-৫০টি সিলিন্ডার সরবরাহ করত।

জানতে চাইলে স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেডের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডিপো ইনচার্জ মো. আনিসুজ্জামান খান বণিক বার্তাকে বলেন, দেশে সরকারিভাবে অনুমোদিত মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে মাত্র তিনটি। তবে নামে-বেনামে অনেক প্রতিষ্ঠান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিলিন্ডারকে মেডিকেল গ্রেড অক্সিজেন সিলিন্ডার হিসেবে বিক্রি করছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হলে স্পেকট্রা হাসপাতাল ও চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে যাচ্ছে। অক্সিজেন সরবরাহ আগের তুলনায় চার-পাঁচ গুণ বাড়লেও সরবরাহে ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সিলিন্ডার অক্সিজেনের ওপর যেসব হাসপাতালের নির্ভরশীলতা রয়েছে সেগুলো সিলিন্ডার সংকটের কারণে অক্সিজেন সরবরাহে ঘাটতির শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে কভিড-১৯ হাসপাতালগুলোতে আক্রান্ত জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি অক্সিজেন লাগছে। এক্ষেত্রে সিলিন্ডারের অক্সিজেন ফুরিয়ে গেলে সেটি রিফিল করতে কিছুটা সময় লাগছে। অন্যদিকে যেসব হাসপাতালে কেন্দ্রীয়ভাবে অক্সিজেন মজুদের ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলোতে অক্সিজেন সংকট নেই। তারা চাহিদা অনুসারে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অক্সিজেন পাচ্ছে। কেউ কেউ আবার নিজেরাই হাসপাতালে অক্সিজেন প্লান্ট বসিয়ে বাতাস থেকে অক্সিজেন উৎপাদন করে ব্যবহার করছে।

রাজধানীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি স্কয়ার হাসপাতালে কভিড-১৯-এ আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট রয়েছে। হাসপাতালটির নিজস্ব অক্সিজেন প্লান্ট রয়েছে। সেখানে লিন্ডে বাংলাদেশের কাছ থেকে তরল অক্সিজেন মজুদ করে সেটিকে গ্যাসে রূপান্তর করে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমের মাধ্যমে রোগীর বেডে পাঠানো হয়।

জানতে চাইলে স্কয়ার হাসপাতালের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ই ই ইউসূফ সিদ্দিক বলেন, আগের তুলনায় অক্সিজেনের চাহিদা বাড়লেও কোনো সংকট নেই। আমাদের যে পরিমাণ অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে, সেটা আমরা লিন্ডের কাছ থেকে পাচ্ছি। আমাদের পুরো হাসপাতালেই সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম রয়েছে। ফলে আমাদের এখানে আলাদা করে সিলিন্ডার অক্সিজেনের তেমন একটা প্রয়োজন পড়ে না।

বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে তরল ও গ্যাস দুই ধরনের অক্সিজেনই ব্যবহূত হয়। কভিড-১৯-এর কারণে বর্তমানে অক্সিজেনের ব্যবহার আগের তুলনায় বেড়েছে বলে জানান হাসপাতালটির পরিচালক (জনসংযোগ) ডা. সাগুফা আনোয়ার। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, কভিড-১৯-এ আক্রান্ত জটিল রোগীদের একমাত্র চিকিৎসাই হচ্ছে অক্সিজেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আগের তুলনায় আমাদের বেশি অক্সিজেন লাগছে। তবে চাহিদা বাড়লেও অক্সিজেনের ঘাটতি নেই কিংবা দামও বাড়েনি।

মেডিকেল অক্সিজেনের জন্য তৃতীয় কোনো পক্ষের ওপর নির্ভর করতে হয় না রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত বিশেষায়িত হাসপাতাল ল্যাবএইডকে। হাসপাতালটি নিজেরাই প্লান্টের মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন উৎপাদন করছে। এ বিষয়ে ল্যাবএইড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এএম শামীম জানান, আমরা নিজেরাই দুটি প্লান্টের প্রেশার সুইং অ্যাডসরপশন (পিএসএ) প্রযুক্তিতে বাতাস থেকে অক্সিজেন উৎপাদন করছি। এতে আমাদের অক্সিজেনের প্রয়োজন আমরা নিজেরাই মেটাতে পারছি। তাছাড়া পিএসএ প্লান্টের দামও খুব বেশি নয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে হাসপাতালগুলোর জন্য এটি একটি ভালো সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

এদিকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারিভাবে মেডিকেল অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়াও চাহিদা বৃদ্ধিতে নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংগ্রহ ও রোগীদের জন্য ব্যবহার হচ্ছে। মূলত আপত্কালীন এই সময়ে শিল্পে ব্যবহূত অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলোই রঙ করে মেডিকেল সেবার জন্য বিক্রি করা হচ্ছে। দামের ক্ষেত্রেও সবচেয়ে বেশি মুনাফা করছে শিল্পে ব্যবহূত অক্সিজেন উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। চট্টগ্রামের দেশের অন্যতম শীর্ষ ইস্পাত কারখানা ও দেশের একমাত্র শিপব্রেকিং ইয়ার্ড থাকায় অন্তত ২৫টি শিল্প-কারখানার অক্সিজেন উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বর্তমানে শিল্পে চাহিদা কমে যাওয়ায় মেডিকেল অক্সিজেনের বাজারকে এসব প্রতিষ্ঠানই অস্থিতিশীল করছে। এর মধ্যে ছোট সাইজের অক্সিজেন (১০ লিটার অক্সিজেন হিসেবে বিক্রি হয় এসব সিলিন্ডার) ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ১৬ লিটার ওজনের অক্সিজেন সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১৯ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

সম্প্রতি চট্টগ্রামের অক্সিজেন সরবরাহ ও বিপণনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। বাজার পর্যায়ে অভিযান ও অক্সিজেন সরকারিভাবে নিবন্ধিত দেশের তিনটি মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কারখানা ও চট্টগ্রামের ডিপোতে সরেজমিন অভিযান চালানোর পর একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম। জেলা প্রশাসনের ওই প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ১ দশমিক ৪ কিউবিক লিটার মেডিকেল গ্রেড অক্সিজেন সিলিন্ডারের (৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ ঘনত্বের) রিফিলিং দাম ১২২ টাকা। কিন্তু চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা ও সদরঘাট এলাকায় বিভিন্ন পাইকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রিফিলিংয়ের দাম রাখছে এক হাজার টাকারও বেশি। অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রামের যেসব প্রতিষ্ঠানকে মাত্রাতিরিক্ত দামে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যক্তি পর্যায়ে বিক্রি এবং বেশি মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস রিফিলিংয়ের জন্য জরিমানা করা হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান লিন্ডে বাংলাদেশের বৈধ প্রতিনিধি নয়। জরিমানা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো হাসান ট্রেডার্স, ব্রাদার্স প্রকৌশলী ওয়ার্কস, বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, জিলানী অক্সিজেন লিমিটেড।

লিন্ডে বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ (মালিক মো. শহীদ) চট্টগ্রামে অক্সিজেনের ব্যবসা করছে। লাইসেন্সবিহীনভাবে ও মাত্রাতিরিক্ত দামে অক্সিজেন সিলিন্ডার পেপারলেস পদ্ধতিতে (ক্রয়-বিক্রয়ের রসিদ ছাড়া) বিক্রির দায়ে বিগত ৯ জুন ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক চকবাজার থানাধীন বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন সূত্রে আরো জানা গিয়েছে, লিন্ডে বাংলাদেশের বিক্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত মেডিকেল গ্রেড অক্সিজেন রয়েছে। অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেশি থাকায় জরুরি ভিত্তিতে লিন্ডে বাংলাদেশ মেডিকেল গ্রেডের অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রস্তুত করছে। চলতি মাসের মধ্যে মেডিকেল গ্রেডের সরবরাহ আরো বাড়বে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রায় চার হাজারের মতো মেডিকেল গ্রেড সিলিন্ডার সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হবে।

দেশে অক্সিজেন সিলিন্ডারের বাজার নিয়ে অস্থিরতার বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যমান হয়েছে। বাসাবাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় অক্সিজেন সরবরাহে বেশি বেশি বিল করাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মূলত প্লান্ট থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহে কিছুটা সময়ক্ষেপণকে অজুহাত দেখিয়ে অনেক বেসরকারি হাসপাতাল রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ বাবদ মোটা অংকের বিল ধরিয়ে দিচ্ছে। এ কারণে রোগীরা বাসাবাড়িতে নিজেরাই অক্সিজেন সিলিন্ডার সংগ্রহ করে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। এর ফলে বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেন সিলিন্ডারকে মেডিকেল সিলিন্ডার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত দামে।
বরেন্দ্র বার্তা/অপস
সুত্র: বণিক বার্তা

Close