চারঘাটশিরোনাম-২

স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই চারঘাট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে

 

মো. সজিব ইসলাম, চারঘাট : রাজশাহীর চারঘাট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। গাদাগাদি করে চলছে জমি বেচা বিক্রির কাজ। করোনা পরিস্থিতে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে কার্যক্রম।

সেবাগ্রহীতার পাশাপাশি অফিসে কর্মরত দলিল লেখক-কর্মচারীরাও কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বেড়েই চলছে।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে শত শত মানুষ এসেছেন জমি ক্রয় বিক্রয় করতে। সাব রেজিস্টারের ছোট একটি কক্ষে চলছে চলছে জমির দলিল সম্পাদনের কাজ। বাইরে দরজার সামনে গাদাগাদি করে লোকজন দাঁড়িয়ে রয়েছে।

দলিল লেখক সমিতির খোলা ঘরেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। বেশীর ভাগ লোকজনের মুখেই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মাস্ক নেই। দলিল লেখক ও কর্মচারীদের মুখেও মাস্ক দেখা যায়নি। কারও কারও মুখে মাস্ক থাকলেও সেটা থুতনিতে ঝুলছে।

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি দলিল করতে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে চলমান সংকটে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোনো বালাই নেই। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষেরও কোনো উদ্যোগ নেই। তাই ঝুঁকি নিয়ে জমি কেনাবেচা চলছে।

সান্টু আলী নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, চারঘাটে করোনা ঝুঁকি দিন দিন বেড়েই চলছে। ইতিমধ্যে ১৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কাজকর্ম চললে সংক্রমণ আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চারঘাট উপজেলার দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মসলেম আলী বলেন, দলিল লেখকদের সবাইকে মাস্ক পরে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সেবাগ্রহীতাদের মাস্ক ব্যবহার করা সহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তারপরও মাঝে মধ্যে একটু আধটু অনিয়ম হলেও সব মিলিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মানছে সবাই।

উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার শাহীন আলী বলেন, করোনার কারনে দীর্ঘদিন অফিস বন্ধ ছিল। সরকারী নির্দেশনায় নতুন করে দলিল সম্পাদন শুরু হয়েছে। তবে আমরা সব সময়ই সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছি। সাধারন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কঠিন। তবে তারপরও আমরা দুরুত্ব বজায় রেখেই কার্যক্রম পরিচালনা করার চেষ্টা করছি।
বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close