চাঁপাই নবাবগঞ্জজয়পুরহাটনওগাঁনাটোরপাবনাবগুড়ামহানগরশিরোনামসিরাজগঞ্জস্বাস্থ্য বার্তা

রাজশাহী বিভাগে ৮ হাজার ছাড়িয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা , সুস্থ্য ৩০৬১ জন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সর্বশেষ রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে সাত জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
এর ফলে বিভাগে আট হাজার ছাড়াল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। পাবনায় এ দিন কোন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়নি। গত ২৪ ঘন্টায় নওগাঁয় ১ জন ও বগুড়ায় ১ জন করোনা আক্রান্ত রোগি মারা গেছেন। একই সময় সুস্থ্য হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ১৮৮ জন।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এ বিভাগে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০২৫ জনে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০৭ জন এবং সুস্থ্য হয়েছেন ৩০৬১ জন। দুপুরে দৈনিক প্রতিবেদনে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তারের পরিচালক ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. গোপেন্দ্র নাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তের মধ্যে রাজশাহীর ৫৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৫ জন, নওগাঁয় ৩৯ জন, নাটোরের ৭ জন, জয়পুরহাটে ৫ জন, বগুড়ায় ৫৭ জন ও সিরাজগঞ্জে ৪২ জন।

তিনি জানান, রাজশাহী বিভাগে আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ বগুড়ায় ৩৬০৮ জন। এছাড়াও মহানগরীতে ১১৩৫ জনসহ রাজশাহী জেলায় ১৪৬৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫৭ জন, নওগাঁয় ৬২৬ জন, নাটোরে ২৬৪ জন, জয়পুরহাটে ৫১৬ জন, সিরাজগঞ্জে ৭৮৬ জন ও পাবনায় ৫৯৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি হিসেবে এ পর্যন্ত বিভাগের আট জেলার মধ্যে ছয় জেলায় মৃতের সংখ্যা ১০৭ জন। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১৩ জন, নওগাঁয় নয়জন, নাটোরে একজন, বগুড়ায় ৬৬ জন, সিরাজগঞ্জে নয়জন ও পাবনায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে। সরকারি হিসেবে এখনো জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোন করোনা আক্রান্ত রোগি মারা যায়নি।

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ্য হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন আরও ১৮৮ জন। এ নিয়ে বিভাগে সুস্থ্য হয়েছেন ৩০৬১ জন করোনা আক্রান্ত রোগি। এর মধ্যে রাজশাহীর ৩২১, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯৩ জন, নওগাঁয় ৪৫৫ জন, নাটোরে ৯৭ জন, জয়পুরহাট ১৬৪ জন, বগুড়ায় ১৬১৭ জন, সিরাজগঞ্জ ১১৪ জন ও পাবনায় ২০০ জন।

ডা. গোপেন্দ্র নাথ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মানুষের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। অতি জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। প্রয়োজনে বের হলে মাস্ক পরতে হবে। এছাড়াও সামাজিক দুরত্ব রাখাসহ মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। তবেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close