মহানগরশিরোনাম

রাত ২ টায় মধ্যে কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ রাত ২ টায় মধ্যে কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করা হবে। কাল থেকে পরিচ্ছন্ন শহর পাবেন মহানগরবাসী।
বিকেলে মহানগরীর ষষ্ঠীতলার কড়ইতলা এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন কালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এ কথা জানান।
এ সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও প্যানেল মেয়র-১ এবং ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মমিন, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঈদের দিন শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর থেকেই রাজশাহীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান নিজেই এ কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।
এবারও পরিচ্ছন্ন বিভাগের সব (কেন্দ্রীয় ও ওয়ার্ড) পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ঈদের দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সব কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঈদের দিন কন্ট্রোলরুমও খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে।
বর্তমানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রায় দেড় হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। রাতেই মহানগর এলাকা থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন।
এর আগে গত ২৬ জুলাই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বিষয়ক এক সভায় সিটি মেয়র লিটন বলেছিলেন, ঈদের দিন রাতের মধ্যেই মহানগর এলাকার কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হবে। ঈদের পরদিন পরিচ্ছন্ন শহর পাবেন মহানগরবাসী। সে অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজ চলছে। নিজ নিজ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এ বর্জ্য অপসারণ কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, কোরবানির কাজ দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। এর পর পরই রাসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তাদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছেন। খোদ সিটি মেয়র এ কাজটি মনিটরিং করছেন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে তিনি ও রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মামুন ডলার এ কাজ তদারকি করছেন। কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রথমে মহানগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে প্রতিটি ওয়ার্ডের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে রাখছেন। সন্ধ্যার পর থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে সেখান থেকে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত বর্জ্য ভাগাড়ে ফেলা হবে। রাত ২টার মধ্যেই শহর থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের টার্গেট রয়েছে তাদের।
বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close