মহানগরশিরোনাম

রাজশাহী গুড়িপাড়ায় বাড়ির ভিটা ও পাওয়া টাকা নিয়ে মারামারি আহত: ২

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী গুড়িপাড়ারে গোলজার বাগে বাড়ির ভিটা ও পাওনা টাকা নিয়ে মারামারিতে ফারুক হোসেন(৩৮) ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম (৩০) গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচ জনকে আসামী করে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ফারুক বাদি হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন গোলজারবাগ স্কুলের উত্তর পার্শে কাশেমের মিলের সামনে মা গোলনাহার বেগম ও ভাতিজা মারুফসহ বৃহস্পতিবার দুপুরে পৈত্রিক জমি নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে মাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মোটর সাইকেল নিয়ে গোলজারবাগ পাকা রাস্তায় উঠলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিবাদীগণ আসামী গুড়িপাড়ার বাবলুর ছেলে রাকিব (২৮), আকাশ (২১) ও সাকিব (১৭), তাহসিনের মেয়ে শোভা খাতুন ও লিমা খাতুন দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো চাকু নিয়ে আমার গতি রোধ করে। সেইসাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। নিষেধ করলে আসামীরা আমাকে এলোপাথারি মারপিট করতে থাকে।
আরো উল্লেখ করেন, আসামী রাকিব পিছন থেকে এসে মোটর সাইকেলে উপর উঠে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ডান গালে তিনটি এবং বাম চোখের উপরে একটি আঘাত করে গুরুত্বর জখম করেন। এক পর্যায়ে আমি মাটিতে পরে গেলে বিবাদী আকাশের হাতে থাকা চাকু দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার বাম পার্শে দুইটি আঘাত করে। এছাড়াও বিবাদী সাকিব কাঠের চলা দিয়ে এরোপাথারী আগাত করতে থাকে। এতে ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলীসহ শরীরের বিভিন্ন ছিলে যায়। এই অবস্থায় আমার স্ত্রী ফরিদা বেগম আমাকে বাঁচাতে আসলে রাকিব চাকু দিয়ে আমার স্ত্রীকে কোমরের পিছনে চারটি আঘাত করে। এ অবস্থায় আমাদের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে রাজশ্হাী মেডিকেলে নিয়ে যান। লোকজন আসায় তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় আমাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন।
এলাকার জনগণ বলেন, রাকিবরা সবাই চিন্থিত মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী। তাদরে নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান। তারা আরো বলেন, এই পরিবারের অত্যাচারে একাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে কাশিয়াডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ এ.এস মাসুদ পারভেজ বলেন, ফারুক বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেন। পরবর্তী এটা মামলা হিসেবে নেয়া হয়েছে। আসামীদের এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close