শিরোনাম-২সাহিত্য ও সংস্কৃতি

হুমায়ূন সিরাজের কবিতা ‘অদ্ভুত বিবর্ণ চীবর’

ধরাকে সরা… দূর হোক জীর্ণতা জরা…
কেন যেন প্রশ্নবোধক কোন অনুসন্ধান?

কোন বাতির শলার মত জ্বলছে যেন রঙধনুর বর্ণেরা আর সাতটি রঙের বে নী আ স হ ক লা’র মত যেন পরিশোধক প্রিজমের অনুক্ষণ! রঙিন তারার মত জ্বলছে কখনও উজ্জ্বল কখনও জ্বলজ্বল কোন ভাললাগাগুলোর মত কোন স্ফুলিঙ্গের ক্ষণ!

মিটমিটে জ্বলছে, দ্যুতি ছড়াচ্ছে স্বাতী কেতু যেন উলম্ব দৃষ্টিতে মরীচিকার মত বাতাসে ভাসছে!
হঠাৎ অদ্ভূত বিবর্ণ চীবর…
প্রচ্ছায়ায় ঘেরা কোন আলোতে যেন পূর্ণভবা মখা কোন উর্ধ্ব দৃষ্টির অদূর! আর কালপুরুষ কখনও আয়নার অবতলে ভেসে ভেসে আসছে!

নিঝুম অথচ নিথর তবুও সপ্তর্ষী মন্ডল কেন যেন তুলছে আলোড়ন! শূন্যতা আর শূন্যতা; কোথাও আলোক জ্যেতিতে ভাসমান গহ্বর!

উল্কা ধূমকেতুর টানে ঝড়ের মত রণ… নক্ষত্র মন্ডলে আলোকিত তোরণ… চিত্রায়নে সৃষ্টির রহস্যে ওঁ ওঁ বর-মহাশূণ্যে অবতরণরত ইউ.এফ.ও যেন কাঁপে থরথর।

কখনও মানব জ্ঞানের সীমাহীন আকাশে
কখনও ব্ল্যাকাহোল যেন বড় ফ্যাকাসে
মাত্রাতিরিক্ত কৌতুহল কখনও যেন অজানা শংকায় মন; গ্যালাক্সীতে যেন ছায়াছন্ন; সীমাহীন কোন শূন্যতায় যেন নতুন প্রাণের কোন সন্ধানে কোন সন।

চতুর্থ মাত্রায় খুঁজে ফেরে কোন সভ্যতা সমুদ্রের অতল গহীনে, আর হরপ্পা মহেঞ্জোদারো তার সত্যতা মাটির অতল জমিনে।

মহাশূন্যে অজানা অদ্ভুত বিবর্ণ চীবর…॥

Close