মহানগরশিরোনাম-২

প্রচারনায় লিটনের উন্নয়ন কথা, বুলবুলের খালেদা জিয়াকে বাঁচানোর আকুতি

বিশেষ প্রতিনিধি: রাসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেলেন। আর প্রতীক বরাদ্দের দিনেই সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীর মার্কা দিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার টাঙ্গানোর মহড়া। মাইকিং হচ্ছে সমান তালে। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের নৌকা মার্কার পক্ষে মাইকিং হচ্ছে আওয়ামীলীগের উন্নয়নের ধারাবিাহিকতা রক্ষার আহ্বানে, অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষের মাইকিং এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বাঁচানোর আকুতি।

অপরদিকে সকাল ৯টা বাজার আগে থেকেই নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের ফেস্টুন টাঙ্গানোর বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব ফেস্টুনে প্রকাশের তারিখ দেয়া আছে ১৫ জুলাই অথচ সেগুলো ১০ জুলাই মঙ্গলবারে গোটা শহরে টাঙ্গানো হচ্ছে। সংখ্যার দিকটিও বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশকালের সাথে সংখ্যা উল্ল্যেখ করা আছে ৩০০ টি। কিন্তু সাহেববাজার জিরোপয়েন্টকে কেন্দ্র করেই ৩০০ এর বেশি ফেস্টুন চোখে পড়ছে। পোস্টারের ক্ষেত্রেও এর প্রকাশ কাল দেয়া আছে ১৬ জুলাই কিন্তু আজ ১০ জুলাই ১২ টার  পর পরেই নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পোস্টারে ছেয়ে গেছে।

এদিকে ভোটের প্রচারণা শুরু না হতেই বিএনপি তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, পুলিশি হয়রানী, মামলা প্রদানসহ বিভিন্ন উপায়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে করেছে। তার এই ধরনের কর্মকান্ড হাইকোর্টের নির্দেশনা ও নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নিদের্শনার বিরুদ্ধে বলে  অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন। তারা আরো বলেন,  এরূপ আচরণ চলমান থাকলে নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী হবে না এবং সার্বিক শান্তি শৃংখলা ও নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হবে।

এদিকে মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে লিটন-বুলবুল ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে  বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) হাবিবুর রহমান কাঠাল, ইসলামি আন্দোলনের সফিকুল ইসলাম হাতপাখা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে (গণসংহতি আন্দোলনের) মুরাদ মোর্শেদ হাতি প্রতীকে নির্বাচন করছেন। বরেন্দ্র বার্তা/এই

 

Close