খেলাশিরোনাম

ফরাসি বিপ্লব, নাকি ক্রোয়েট ইতিহাস?

বরেন্দ্র বার্তা ডেস্ক: ফরাসি বিপ্লব নাকি ক্রোয়েশিয়ার ইতিহাস? কার হাতে উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের ২১তম ট্রফি। কাদের দখলে’ আগামী ৪ বছর থাকবে শিরোপার মসনদ। কি বলছে পরিসংখ্যান ? কি বলছে দলগুলো সাম্প্রতিক ফর্ম ?

একটা ম্যাচ। অথচ কতসব পরিসংখ্যান, কতসব হিসেব নিকেশ। যেন নিদ্রাহীন সারা ফুটবল দুনিয়া ব্যস্ত হিসেব মেলাতে। আর হবেই না বা কেন ? ফাইনালের মহারণ বলে কথা।

মাঠের খেলা’ যেমন মেনে চলেনা কোন পূর্ব ইতিহাস, তবুও এই পরিসংখ্যান-ই নির্ভার করে দলগুলোকে। এর আগের ২০ বিশ্বকাপের ৫টির শিরোপা জিতেছে যে দল, তাদের অধিনায়ক ছিলেন মিডফিল্ডার। সেদিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে ফরাসি দলপতি ও গোলরক্ষক হুলো লরিস।

মদ্রিচের দলের স্বস্তির কারণ আছে আরো। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতি ২০ বছর অন্তর একটা নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পেয়েছে ফুটবল বিশ্ব। তাহলে কি ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের পর, এবার ক্রোয়েটদের পালা?

তবে সেখানে অনুপ্রেরণা আছে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমের সামনে। মারিও জাগালো আর বেকনেবাওয়ার পর ৩য় অধিনায়ক আর কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ এখন তার সামনে।

সীমিত শক্তিকে অসাধারণ কৌশলে কিভাবে অসীমে নিয়ে যেতে হয়’ এবারের আসরে সেটাই দেখিয়েছে দালিচ শিষ্যরা। ১৩তম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলছে মাত্র ৪১ লাখ জনসংখ্যার দেশটি। বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচাইতে কম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে ফাইনাল খেলা ক্রোয়েটরা’ নিশ্চই চাইবে সে উন্মাদনার রেশ শিরোপা জয়ের মধ্যমে পূর্ণতা দিতে।

অন্যদিকে ফ্রান্সের সবচাইতে বড় শক্তি একতা, উজ্জীবনী মন্ত্র, তারুণ্য আর আত্মবিশ্বাস। নক আউটের গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে ৭ গোল করেছে তারা। ক্রোয়েশিয়ার ৩৬০ মিনিটের বিপরীতে খেলেছে ২৭০ মিনিট। বিশ্রাম পেয়েছে ১দিন বেশি। যা শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারে ম্যাচের ‘এক্স ফ্যাক্টর’।

তবে শুরু থেকেই আনপ্রেডিক্টেবল রাশিয়া বিশ্বকাপ যেভাবে একের পর এক চমক দেখিয়েছে, তাতে ফাইনালের মহারণ নিয়েও পূর্বানুমান হয়তো টিকবে না ধোপে। যে জন্য রেফারির শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত’ আপনাকে অপেক্ষায় থাকতেই হচ্ছে।

বরেন্দ্র বার্তা/আসশ

Close